পোর্টেবল হেল্থ ক্লিনিকের চিকিৎসা পদ্ধতি:
১) গ্রাহক নিবন্ধন
পোর্টেবল হেল্থ ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা একজন গ্রাহককে প্রথমেই বারকোডের মাধ্যমে একটি স্বতন্ত্র রেজিস্ট্রেশন নাম্বারের বিপরীতে প্রাথমিক ব্যক্তিগত তথ্যসহকারে নিবন্ধন করে নেয়া হয় এবং প্রতিটি গ্রাহকের জন্য সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি আলাদা প্রোফাইল তৈরি হয়ে যায়। পরবর্তীতে গ্রাহক যতবার সেবা নিতে আসুন না কেন, নিবন্ধন নাম্বারের ভিত্তিতে তাঁকে শনাক্ত করা যায় এবং এর বিপরীতে গ্রাহকের স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
২) হেল্থ হিস্ট্রি
গ্রাহকের পূর্ববর্তী রোগের ইতিহাস, বর্তমানে গৃহীত ঔষধ, জীবনশৈলী ও অন্যান্য স্বাস্থ্য তথ্য সংগ্রহ করা হয় যেন তা পরবর্তী চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে। প্রতিটি গ্রাহককে একটি আইডি ও পাসওয়ার্ড প্রদান করা হয় যার সাহায্যে তিনি তাঁর নিজের প্রোফাইলের তথ্য দেখতে ও পরিবর্তন করতে পারেন।
৩) স্বয়ংক্রিয় স্বাস্থ্য তথ্য সংরক্ষণ
পোর্টেবল হেল্থ ক্লিনিকের সকল ডিভাইস নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত। এগুলো গ্রাহকের যেকোন পরীক্ষার ফলাফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে সরাসরি সার্ভারে প্রেরণ করে, এতে গ্রাহকের স্বাস্থ্য তথ্য সংরক্ষণে কোন ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
৪) স্বাস্থ্য তথ্য তাৎক্ষনিকভাবে ডাক্তারকে প্রেরণ
সাধারণ টেলিমেডিন পদ্ধতিতে কোন রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই রোগীর কাছে থেকে টেলিফোনে শুধুমাত্র উপসর্গ গুলো শুনে ডাক্তারকে রোগীর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হয় যা অনেক ক্ষেত্রে রোগীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু পোর্টেবল হেল্থ ক্লিনিকে অনলাইন সিস্টেমের সাথে যুক্ত ডাক্তার রোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফলাফলসহ সকল তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাঁর কম্পিউটারে পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত দেন।
৫) সরাসরি ডাক্তারের সাথে টেলিকনফারেন্স
গ্রাহকের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিকভাবে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ডাক্তারের সাথে কথা বলার সুযোগ করে দেয়া হয়।
৬) অনলাইনে তাৎক্ষনিক প্রেসক্রিপশন
গ্রাহকের সাথে কথা বলার পর ডাক্তার অনলাইনে প্রেসক্রিপশন প্রদান করেন। রোগীর সাথে থাকা স্বাস্থ্যকর্মী তখনই হেল্থ রিপোর্ট সহ প্রেসক্রিপশনটি পোর্টেবল হেল্থ ক্লিনিকে থাকা প্রিন্টার থেকে প্রিন্ট করে গ্রাহককে দেন।

